যেসব পানীয় দ্রুত ওজন কমায়

মুক্তকলাম প্রতিবেদক

১৩ অক্টোবর ২০২১, দুপুর ১১:২৪ সময়

স্বাস্থ্য যেমন অমূল্য সম্পদ ঠিক তেমনই অতিরিক্ত ওজনেও হতে পারে জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। ওজন নিয়ন্ত্রণে মানুষ কত কিছুই না করে। শরীরচর্চা, হিসেব করে খাওয়া, নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনটেন করে চলাসহ মানতে হয় আরও অনেক কিছু। তবে আমরা কী ধরনের পানীয় পান করছি এবং কতটা পরিমাণে পান করছি, তার দিকে সাধারণত আমরা নজর দিই না।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেবল খাদ্য নয়, সঠিক পানীয়ের গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়েট অনুসরণ করার সময়, দিনে কী ধরনের এবং কতটা পানীয় গ্রহণ করছেন তার দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার।

এমন নির্দিষ্ট কিছু পানীয় আছে যেগুলি খেলে, ওজন কমার প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

১) প্যাকেটজাত ফলের রস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ ফলের রস, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। ফলের রস শরীরের সমস্ত অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলোকে ভালোভাবে সম্পন্ন করতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করে। তবে এই সকল উপকারিতাগুলো কেবল তাজা ফলের রসের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ বাজারে কিনতে পাওয়া প্যাকেটজাত ফলের রসে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকে, যা আমাদের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

২) মিষ্টি চা গ্রিন টি, হার্বাল টি অথবা কালো চা, এগুলি সবই স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। তবে শর্ত একটাই, এই চা উপভোগ করার ক্ষেত্রে, চিনি কিংবা কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করা যাবে না। মিষ্টি চা আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া বাজারের প্যাকেটজাত মিষ্টি আইস টির সেবনও এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এক বোতল মিষ্টি আইস টি-তে, ২০০ থেকে ৪৫০ ক্যালোরি বর্তমান, যা খুব সহজেই আপনার ডায়েট নষ্ট করে দিতে পারে।

৩) এনার্জি ড্রিংকস শরীরচর্চার পর ক্লান্তি দূর করতে আমরা অনেকেই, এনার্জি ড্রিংকস পান করতে পছন্দ করি। তবে চিনি এবং ফ্লেভার যুক্ত এনার্জি ড্রিংকস কখনই আদর্শ পানীয় নয়। স্পোর্টস ড্রিংকস কিংবা এনার্জি ড্রিংকসে, প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং কৃত্রিম স্বাদ যোগ করা থাকে, যা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডাবের পানি কিংবা তাজা ফলের রস, প্রভৃতি পান করা যেতে পারে।

৪) অ্যালকোহল গ্রহণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল গ্রহণের দিকে বিশেষ নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ অ্যালকোহলেই ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে এবং তার সঙ্গে যখন কোল্ড ড্রিকস মেশানো হয়, তখন ক্যালরির মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

৫) অপর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার ব্যাপারটা আমরা প্রায়ই অবহেলা করে থাকি। তবে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পানি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, টক্সিন বের করে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন।

Time Viewed

Posted: ১৩ অক্টোবর ২০২১, দুপুর ১১:২৪ সময়